দুরে কোথাও যাত্রা পথে নিজের মোবাইল ও টাকা চুরি গেলে
যতটুকু পারা যায়, নিজের উপর বিশ্বাস হারিয়ে না ফেলা, ফলে যে কেউ সেই সুযোগ নিতে পারবে।
সর্বত চেষ্টা করে, পরিজনদের আশ্বস্ত করা যাতে চিন্তিত হয়ে না পড়ে।
ঈশ্বরের উপর ভরসা রাখা এবং প্রার্থনা করা।
নিজের জানা মতে সর্বোচ্চ নিরাপদ আশ্রয় যেখানে মনে করি সেখানে অবস্থান করা, যেমন: যে কোন প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্টেশন ইত্যাদি।
নিজের ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কারো সাথে অহেতুক যোরাফেরা
বিরক্ত না হয়ে, প্রতিটি মূহুর্তের মধ্যে ডুবে যাওয়া চেষ্টা করা
নিজের প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ন কাজ এলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিয়টি বুঝিয়ে বলতে পারা।
আত্মবিশ্বাস হারিয়ে না ফেলা।
নিজের ভীতরে সৃষ্ট অনুভূতি গুলোকে সমান গুরুত্ব দেয়া।
পরিবর্তীত প্রতিটি পরিস্থিতি সাথে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করা।
যে কোন অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির জন্য মনকে উম্মুক্ত রাখা।
কারো অপেক্ষায় দীর্যসময় বসে থাকা
অপেক্ষার সময়টিকে যতটুকু পারা যায় উপভোগ করা।
তুমি সেটা কর, যেটা তোমার মন বলছে। বিরক্ত লাগবে না।
নিজের গন্তব্যের ট্রেন বাদে অন্য ট্রেনে উঠে পড়লে
নিজের মনকে শান্ত করে, পরিস্থিতিকে মেনে নেয়া।
যতটুকু পারা যায়, নিজের মনকে বিশ্বাস করা, কোন ভাবে নির্ভার হওয়া যাবে না।
ট্রেনের ভীতরে নিজের বগি হারিয়ে ফেললে
দায়িত্বরত ব্যক্তির সহায়তা নেওয়া।
সংশ্লিষ্ট ট্রেনের এপস ব্যবহার করে গন্তব্য খুজে নেয়া।
ফোন ছাড়া পরিজনদের থেকে না জানিয়ে অনেক দিন আটকে থাকা
সর্বোচ্চ চেষ্টা করে নিজ পরিজনদের নিজ অবস্থান সম্পর্কে আশ্বস্ত করা।
সর্বত মনকে শান্ত রাখা, এবং পরিস্থিতি মোকাবেলা করা।
একটি জামা পরে, এক সপ্তাহ থাকা, সে তো আহামরি কিছু না।
সব কিছুর জন্য ঈশ্বরের প্রশংসা করা। কারন তিনি মঙ্গলময় এবং সর্বদা আমাদের সর্বোচ্চ কল্যানের চেষ্টা করেন, শুধু
নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে যে, আমি পারবই সেটা যে কোন মূল্যেই.........
কোন কিছু খোজা এবং পাওয়া এর মাঝে অনেক ফারাক থাকে। আমি কোন লুসার নই যে, ক্ষমা করে দেব, নতুন আমি হয়ে অফিসে যাব। যে কোম্প্লেইন করবে তাকে ধন্যবাদ জানাব।
তুমি যে দিন মিলেছ, ঈশ্বরের ১ম প্রেম পত্র পড়েছি, ভয় নেই আর।
খাওয়া বা রাতে ঘুম না আসা:
স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটুন, ঘুম ভাল হবে, এটি একটি কোয়ালিফিকেশন মাত্র, নিজের সঙ্গে জোড়াবেন না।
মনটার খিচুড়ি পাকানো, নাম দিবেন না, নিজেদের বানানো জিনিস, তৈরী করেন, মাথায় নিয়ে বেড়ান রোগ তৈরী কারখানা।
শরির কেন অসুখ তৈরী করতে যাবে, নিশ্চয় ভূল কিছু করছেন, কি কারন, পরিশ্রমের অভাব, মানসিক নিয়ন্ত্রনের অভাব,ফলে ভয়,
উদ্বেগ, মাথা খারাপ হবে, আপনি জীবন হিসেবে মিশেন, সমাজের মানুষ হিসেবে নয়। গোড়াতে ঠিক করুন। সমাজের জন্য জম্ম হয়নি, আমরা জন্ম দিয়েছি, সুবিধার জন্য, প্রানের উৎস, কেউ আপনাকে নিয়ে ভাবে না, নিজেদের সমস্যা নিয়ে ভাবে।
নিজেদের জন্য সমস্যা আবিস্কার করে নিজেদের জন্য, কেন তৈরী করছেন, কোন সহজ উপদেশ নয়, পরিশ্রম করুন। ঘুম আসবেই।
ক্লান্তি কমাতে;
টাটকা ফল ও শব্জি ও বিশুদ্ধ পানি বেশি বেশি পান করুন। মদ, এলকোহল, ক্যাফেইন,রেড মিট বা পশুর মাংস বা তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন।
মানসিক রোগ কারন : সমাজ যত স্বচ্ছল হয়, ততই খারাপ খাবার গ্রহনের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বোধ শক্তি কমে যায়। নিজের কাছে সৎ থাকুন, অন্তর পরিস্কার রাখুন, ব্যালেন্সড খাবার গ্রহন করুন, দেখবেন বয়স আটকে যাবে।
মনের স্বরুপটা এমন, যে কারনে মানুষ নিজেদের জীবনে সংগ্রাম করে কারন নিজেদের মনের স্বরুপকে জানতে চেষ্টা করেনা।
মন এমন, যা চাই না (সিদ্ধান্ত নেই এড়িয়ে চলবো), সেটাই প্রকৃতি হয়ে যায়। জোর করে মন থেকে একটি চিন্তাও বাদ দেয়া যায় না। যাই করার চেষ্টা করুন, সেটা বরং এক ধাপ বড়বে। মনে বিয়োগ ও ভাগের কোন ব্যবস্থা নেই, যোগ ও গুন হয়ে বাড়বে।
একনিষ্ঠ উচ্চতর কিছুর জন্য আকাঙ্খা করার মাধ্যমে তা এড়িয়ে যাওয়া যায়।
মানসিক চাপ থেকে মুক্তি:
শিশুরা ডায়াপারর সমস্যায় ভুগে, বাড়ন্তকালে হরমোনের সমস্যায়, এক খোলস থেকে আরেক খোলসে যাওয়া/জীবনের বসন্তকাল, বুড়ো বয়সে ঔষধের দোকানে বেচে দেয়া নিজেকে।
মধ্যবয়সে ক্রাইসিসে ভোগেন।
অনুভুতি গ্রহনের পাঁচটি দরজা। যেমন: দৃষ্টি,শ্রবন ক্ষমতা, ঘ্রান শক্তি, স্বাদ গ্রহন ও স্পর্শ। আলো,শব্দ, রং এর ইনপুট কমানো,
চোখ: 12ঘন্টার আলো,12ঘন্টা অন্ধকার, বাইরে সারাক্ষন শব্দ, দেহকে নির্দিষ্ট স্তরের ভারসাম্যে আনুন, নতুবা বুদ্ধিমত্তা সহ সবকিছু আপনার নিজের বিরুদ্ধে কাজ করবে।
আবেগকে নিয়ন্ত্রন করুন, চোখ বন্ধ করুন, চুপচাপ বসুন, কয়েক মিনিট স্থির করুন, খারাপ কিছু দেখার প্রভাব মনে পড়বে। প্রানবন্ত বাাঁচা মানে ঘুমে থাকা,
একাকিত্ব কাটানোর উপায়:
অধিকাংশ মানুষই স্বাধিনতা সামলাতে পারে না। সর্বদা নিজের আবেগে বেধে রাখতে চেষ্টা করে। স্বাধিনতার জন্য চাই সাহস ও উম্মাদনা। তারা আমায় অত্যাচার বা দখল করতেপারে, অধিকার/দখল করতে পারে না।
মুক্ত ও জড়ানো বন্ধনে। মুক্ত হলে ভাববে হারিয়ে গেছ, পর্বত, জঙ্গলে,তার জন্য চাই স্বচ্ছ নির্মলতা
আবেগে বেধে রাখে, মৌখিক স্বাধিনতা বলে। খাচার পাখির মত। ছেড়ে দিলে উড়েতে পারে না। চাপ, উদ্বিগ্ন-সম্পর্ক, পেশাগত, জাতি গোষ্টিগত,সমাজ ভিত্তিক দিক থেকে, ঈশ্বর, স্বর্গ নরক ইত্যাদি দিক থেকে নতুন রেখা আকতে চাচ্ছ যার কোন অস্তিত্ব নেই।
স্বধিন হতে গেলে দৃঢ় হতে হবে, মুক্ত হতে গেলে মানবিক অভিজ্ঞতা রাসায়নিক ভিত্তির উপর দাড়ানো, আনন্দ,অবসাদ, উতেতজনা,যন্ত্রনা,পরমান্নন্দ এগুলো রসায়ন ভিত্তি আছে। অনেক মাত্রা আছে। কিভাবে কাজ করে? কাজে লাগানো যায়
তুমি যে ভাবে চাও মানুষ যদি সে ভাবে চলে, তাহলে তোমার রসায়ন ঠিক আছে। তোমার শরীরের মধ্যে তুমি সব সময় একা। তুমি কারো সাথে কথপোকথন কর বা নাই কর। এই শরীরে তুমি একা।
পদ্ধতি কি , কিভাবে কাজ করে? কি আসে যায় কে তোমার পাশে আছে আর কে নেই? যদি কেউ থাকে তো ভাল, না থাকে তো আরো ভাল। তোমার জীবনের অভিজ্ঞতা ও তোমার কি আছে বা নেই তা অন্যদের দ্বারা নির্ধারিত হয় না।
যা কিছু হোক এটা, সেটা, মানুস, জিনিস, খাদ্য, তা দ্বারা তোমার জীবনের অভিজ্ঞতা নির্ধারিত হয়না। যখন বেচে থাকার পদ্ধতি, বাইরের কোন কিছু দ্বারা নির্ধারিত হয় না , তখন একাকিত্ব বলে কিছু থাকে না। তোমার একাকিত্ব উপভোগ করবে, তোমার পছন্দ হোক বা না হোক।
তোমার শরীরের মধ্যে তুমি সব সময় একা। তুমি কারো সাথে কথপোকথন কর বা নাই কর। এই শরীরে তুমি একা। একাকিত্বের মোকাবিলা করতে না শিখ তাহলে জীবন সম্পর্কে কিছুই শেখ নি।
শরীরটা কেবল আমার জায়গা। তুমি তোমার মধ্যে কেমন আছ? যদি এমন থাক তোমার প্রয়োজন বাধ্য করে, তবে তুমি খুব অনুর্বর জীবন যাপন করছ। কিন্তু যদি কোন প্রয়োজন ছাড়াই এখানে বসে থাকতে পার এবং তোমার যা প্রয়োজন তা সবই করতে পার তাহলে মহৎ জীবন যাপন করছ।
জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন:
স্বপ্ন, লক্ষ্য, কামনা, আকাঙ্খা এ বিষয় গুলো একটু সময় নিয়ে দেখেন । আপনার ৪০-৫০ বছর বা মৃত্যুসয্যাতে এর কোন মানে থাকবে? এগুলো ফাঁদ এখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন?
ঢুকলে ফিরে যেতে পারেন না, এ বিষটি লক্ষ করুন। যারা বয়জেষ্ঠ ১৮ বছরে যে স্বপ্ন কামনা করতেন সবগুলো পুরন হলে থাকা কষ্ট হয়ে যেত। সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে চারপাশের প্রভাব থেকে বিরতী নেয়া।
সামাজিক, পারিবারিক, বন্ধু বান্ধব, থেকে সরে ধ্যান করুন, বসুন, নিজেকে আনন্দের একটি স্পষ্ট পর্যায়ে নিয়ে আসুন। যখন আপনি খুব স্পষ্ট ও খুশি ও বিচক্ষণ তখন সিদ্ধান্ত নিন। মরিয়া অবস্থায় কখনো নয়।
তাড়াহুড়ো করে নেয়া সিদ্ধান্ত গুলো সেমূহুর্তে অনেক কিছু বলে মনে হবে। কাল সকালে বুঝতে পারবেন কেন জড়ালেন। তাই
আপনি একা বসে স্থির করুন আপনি ঠিক কি হতে চান? কি সেটা যার স্থায়ী কদর থাকতে হবে আপনার কাছে । তার জন্য ব্যক্তিত্ব তৈরী করতে হবেনা। আপনি শুধু আপনার দায়িত্ব চালিয়ে যান। ব্যক্তিত্ব নিজে থেকে চলে আসবে।
ব্যক্তিত্বি একটি মুখোশ। একই মানুষ নানা ভুমিকায় অভিনয় করবে। এটাই ব্যক্তিত্ব।
মানুষ ব্যক্তিত্বটাকে গড়ে তুলতে চাইছেন, কারন তাদের মধ্যে স্বত্বাবোধটাই নেই। আপনার স্বত্বার সাথে থাকলে ব্যক্তিত্ব এমনিতেই তৈরী হবে। আলাদা আলাদা জায়গায় আলাদা আলাদা ব্যক্তিত্ব হতে পারেন, মানুষ কিন্তু তাই

0 comments:
Post a Comment